ছোটবেলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল দুজনেই একে অপরকে বড় হলে বিয়ে করবে। পাত্রের মা খুব আনন্দের সঙ্গে ছেলের বিয়ে দিতে চাইলেন ওই মেয়ের সাথে। কিন্তু পাত্র রাজি নয়। মা ছেলের বিয়ে দিলেন একপ্রকার জোর করে । কিন্তু ছেলে ওই বিয়ের রাত্রেই বিদেশে পাড়ি দিয়েছিল। বিদেশে গিয়ে নিজের চেষ্টায় কোটি টাকার কোম্পানির মালিক হল ঠিকই কিন্তু এক মানসিক রোগেও আক্রান্ত হল সে। এদিকে পাত্রের মা পুত্রবধুকে অত্যন্ত স্নেহে নিজের করে নিলেন। তার উদ্দেশ্য একটাই তার একটি নাতি অথবা নাতনি চাই। ওদিকে ছেলে এক মানসিক রোগের মহিলা ডাক্তারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকল। ধীরে ধীরে তাদের দুজনের মধ্যে এক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠল। তাদের দুজনের মধ্যে একটা জায়গায় অত্যন্ত মিল দেখা গেল যে তারা দুজনেই তাদের নিজ নিজ স্বামী ও স্ত্রীকে খুঁজছেন। তারা কেউ বিবাহের পর থেকেই তাদের মুখ দেখেননি পর্যন্ত। সেই কারণেই তারা বিবাহ বিচ্ছেদ করে নতুন জীবন শুরু করতে চায়। On her wedding day, she was rejected by her husband, leaving a deep, unhealed wound in her life. Three years later, as a prominent CEO now suffering from insomnia, he seeks treatment—introduced via a friend—to her. Without any memory of their shared past, they both unknowingly re-enter each other's lives. With the support of friends, their journey unfolds in a blend of humor and heartfelt emotion.




